মোঃ জি,কে,শিকদার : দৈনিক প্রতি ঘন্টার বার্তা : কুমিল্লা হোমনা।
কুমিল্লায় হোমনা থানা মাথাভাঙ্গা ইউনিয়ন এলাকায় স্বামীকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে গাছের সাথে বেঁধে ধর্ষণের শিকার এক নারী, ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন এই ঘটনায় আন্তঃজেলা,ডাকাত সদস্য আশিকুর রহমান কে প্রধান আসামী করে থানায় ৭জনের নামে মামলা রুজু করা হয়েছে, ঘটনা টি ঘটে বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে। উপজেলার মাথাভাঙ্গা। ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায়,মামলা সূত্রে জানা যায় ভিকটিম নারী তাঁর স্বামীসহ হোমনা পৌর। এলাকায় ভাড়া। করা বাসায়। থাকেন। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁরা একটি অটোরিক্সাযোগে তিতাস উপজেলায় বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন।
এসময় হোমনা-গৌরীপুর আঞ্চলিক সড়কের মাথাভাঙা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় পৌছলে পিছন থেকে পিছু নেয়া ওপারচর গ্রামের দুর্ধর্ষ ডাকাতদল সদস্য আশিকুর রহমান (২৪) ও তাঁর আরও ৬/৭জন সহযোগী ওই দম্পতিকে বহন করা অটোরিকশা টি থামিয়ে ওই দম্পত্তিকে জোরপূর্বক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ইউনিয়ন পরিষদের দক্ষিণ পাশের রাস্তা দিয়ে ছয়ফুল্লা কান্দির দিকে নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়।
সেখানে আশিকুর রহমান ও তাঁর দুই সহযোগী ওই নারীকে হাত-মুখ চেপে রাখেন এবং অন্যরা তাঁর স্বামী ও অটোরিকশার চালককে দূরে গাছের সাথে বেঁধে গৃহবধূকে সেচ্ছায় শারারিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়, না হলে তার স্বামী মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে নির্যাতন শুরু করে।
এরপর ওই গৃহবধূ রাজি না হলে আশিকুর রহমান ওই। গৃহবধূকে জোর করে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তরা ওই দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তাঁরা হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা। নেন। সেখান থানায় জানানো হলে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে মামলার প্রক্রিয়া করেন।
এ বিষয়ে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. শহিদ উল্লাহ জানান,বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এক নারী ও তাঁর স্বামী। হাসপাতালে এসেছিলেন। ওই নারীকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ। হাসপাতালের ওয়ান, স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হোমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিস উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘জড়িত আসামিদের শনাক্তে কাজ চলছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও.সি) টমাস বড়ুয়া জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা। করেছেন। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে ওসি বলেন, প্রধান অভিযুক্ত। আশিকুর রহমানসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অপরাধীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি, দ্রুতই তাঁদের আইনের আওতায়। আনতে পারব। আশিকের বিরুদ্ধে থানায় ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।